পটুয়াখালীর বাউফলে উপজেলার ধুলিয়া ইউনিয়নে জেলেদের ভিজিএফ চাল বিতরণকালে বরাদ্দের চাল বিতরণ না করে লুট করা হয়েছে বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নাম পরিচয়হীন আইডি থেকে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। আগামী ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ধুলিয়া ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জহিরুল ইসলামের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য একটি পক্ষ এমন অপপ্রচার চালিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
পরিষদ সূত্রে জানা যায়, গত রোববার ধুলিয়া ইউপির ১১শ নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে মার্চ এপ্রিল দুই মাসের বরাদ্দের ৮০ কেজি করে ৮৮ মেট্রিকটন চাল বিতরণ করা হয়। এসময় উপজেলা মৎস্য বিভাগের প্রতিনিধি, ট্যাগ অফিসার, ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যরা সহ স্থানীয় বিএনপি, জামায়াতের নেতৃবৃন্দ সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। তাদের উপস্থিতিতে প্রতিজন জেলেকে ৮০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়। এতে জেলেরাও সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।
তবে একটি পক্ষ প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলামকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য মিথ্যা চাল আত্মসাতের অপপ্রচার চালায়। বিভিন্ন নাম পরিচয় ফেসবুক আইডি থেকে এসব মিথ্যা তথ্য জড়ানো হয়। এসব অপপ্রচারে দাবি করা হয়, ইউপি চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম ও ধুলিয়া ইউনিয়ন জামায়াত নেতা নাসির উদ্দিন জেলের মাঝে চাল বিতরণ না করে আত্মসাত করেছেন।
তবে সূত্র বলছে, ট্যাগ অফিসার ও মৎস্য বিভাগের প্রতিনিধির উপস্থিতি নিবন্ধিত ১১শ জেলের বরাদ্দের ৮৮ মেট্রিক টন চাল বিতরণ করা হয়। চাল বিতরণে অনিয়মেন বিষয়ে কোনো জেলে কোনো অভিযোগও করেনি। শুধু রাজনীতিক প্রতিহিংসা পরায়ন হয়ে একটি পক্ষ এমন অপপ্রচার চালায়।
এবিষয়ে ধুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) জহিরুল ইসলাম বলেন, স্বচ্ছভাবে সরকারি কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে যথাযথভাবে চাল বিতরণ করা হয়েছে। জেলেরা বরাদ্দের ৮০ কেজি করে চাল পেয়ে তারা খুশি। কারো কোনো অভিযোগ নেই। কিন্তু একটি পক্ষ আমার ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য এ অপপ্রচার চালিয়েছে।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সালেহ আহমেদ বলেন, চাল লুটের কোনো অভিযোগ পাইনি। ট্যাগ অফিসার সহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে চাল বিতরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান।