নিম্নচাপ ও বৈরী আবহাওয়ার কারনে বঙ্গোপসাগর উত্তাল থাকায় ঢেউয়ের কবলে পড়ে বরগুনার তালতলীতে ফকিরহাট সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে দুটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটে।
গত ৭ জুলাই দুপুরে ১৮ জন জেলে নিয়ে দুর্ঘটনায় পতিত মাছ ধরার ট্রলার দুটির ১৬ জন জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও নিখোঁজ ছিলো আবুল কালাম পাইকার ও শহিদুল ইসলাম নামে দুই জেলে।
এরমধ্যে আজ শনিবার (১১জুলাই) বিকেলে গভীর সমুদ্র থেকে ভাসমান অবস্থায় আবুল কালাম পাইকার নামের এক জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে নিখোঁজ রয়েছে অপর জেলে শহিদুল ইসলাম।
তালতলীর ফকিরহাট ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি মজিবুর রহমান ফরাজী জানান, গত ৭ জুলাই ফকিরহাট উপ মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র ও আশারচর থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ- পশ্চিমে লালদিয়ার চর সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে ঝড়ের কবলে পড়ে ১৮ জন জেলেসহ দুটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটে। ১৪ ঘণ্টা পর অন্য একটি মাছ ধরার ট্রলারের সহায়তায় ১৮ জন জেলের মধ্যে থেকে ১৬ জন জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। এদের মধ্যে থেকে উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের ছোট আমখোলা গ্রামের বাদল খানের ছেলে জেলে আবুল কালাম পাইকার ও সিরাজ মিস্ত্রীর ছেলে শহিদুল ইসলাম নিখোঁজ ছিলেন। আজ চারদিন পর বিকেলে কালাম পাইকারের মরদেহ উদ্ধার করা হলেও নিখোঁজ অপর জেলে শহিদুল ইসলামকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুল ইসলাম বলেন, নিখোঁজ এক জেলের মরদেহ পাওয়া গেলেও এখনো এক জেলে নিখোঁজ রয়েছে।